আশঙ্কা সত্যি করে কেশরপুরে গঙ্গার ঘাটে ভেসে এল পর পর মৃতদেহ - The News Lion

আশঙ্কা সত্যি করে কেশরপুরে গঙ্গার ঘাটে ভেসে এল পর পর মৃতদেহ

 


দি নিউজ লায়ন;    আশঙ্কা সত্যি করে কেশরপুরে গঙ্গার ঘাটে ভেসে এল পর পর মৃতদেহ। যদিও গ্রামবাসীদের দাবি, তারা দুটি মৃতদেহ নদীতে ভাসতে দেখেছেন। তবে স্থানীয় পুলিশ আপাতত একটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। মৃতদেহ বিহার বা উত্তরপ্রদেশ থেকে থেকে নদীপথে ভেসে এসেছে মালদার ভুতনি এলাকার গঙ্গা নদীতে, এমনটাই অনুমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের। শনিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় এলাকার জেলেদের।


 এরপরই খবর পৌঁছায় ভুতনি থানায়। অবশেষে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশরপুর গঙ্গার ঘাটে ওই মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য তদারকির কাজ শুরু করেন। দেহটি মধ্য বয়স্ক পুরুষের বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনায় গোটা জেলা জুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে । সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে করোনায় মৃতদের দেহ গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার ছবি সামনে আসে । 


তারপর থেকেই সেইসব দেহ গঙ্গা নদী পথে প্রবাহিত হয়ে মালদার মানিকচকের গঙ্গার ঘাটে আসতে পারে এমনটাই অনুমান করে রাজ্য সরকার। কারণ, উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা নদীর সঙ্গে বিহার হয়ে মালদা মানিকচকের সরাসরি গঙ্গা নদীর যোগাযোগ রয়েছে। কাজেই এক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের করোনায় মৃত ভাসানো দেহ যে মালদার মানিকচক ব্লকের ভুতনি থানার গঙ্গা নদীর ঘাটে ভেসে আসতে পারে, তা আগে থেকে আশঙ্কা করেছিল রাজ্য প্রশাসন ।


 আর এব্যাপারে শুরু হয়েছিল জলপথে নজরদারি। বেশ কয়েকদিন নজরদারি চালানোর পরেই কেশরপুর এলাকার গঙ্গার ঘাটে ভেসে এলো একটি মধ্য বয়স্ক পুরুষের মৃতদেহ। সেই মৃতদেহ দুটি গঙ্গা নদীর ঘাটের একটি কচুরিপানা আটকে থাকায় বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশোরপুর এলাকার গঙ্গা নদীর ঘাটে। কচুরিপানায় এই দেহটি আটকে ছিল। 


তবে দেহটি পচন ধরে গিয়েছে। ফলে সেটি উদ্ধার কার্য করতে কোভিড বিধি মেনে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া এই দেহটি নিয়ম মেনে ময়নাতদন্ত করে সৎকার্য করা হবে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে,  ভুতনি থানার নদীর ওপারে রয়েছে বিহার রাজ্য।


 সুতরাং এটি যে ভিন রাজ্য থেকে ভেসে এসেছে সেটি প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে আপাতত একটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু গ্রামবাসিরা বলেছেন আরো একটি দেহ নদীতে ভাসতে দেখা গিয়েছে। সেই দেহের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। মৃতদেহটি আপাতত অজ্ঞাত হিসাবে সনাক্ত হয়েছে। করোনা সংক্রমনের মধ্যে এই দেহটি কোভিড বিধি মেনে সৎকার্য করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.